ঢাকা    সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
পূর্ব শিখা

২২ বছর জেল পুলিশের চাকরি করেও সকল প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত সালেহ আহমেদ, করছেন মানবেতর জীবনযাপন


প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

২২ বছর জেল পুলিশের চাকরি করেও সকল প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত সালেহ আহমেদ, করছেন মানবেতর জীবনযাপন

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার দক্ষিণ বদলকোট ইমান উদ্দিন বেপারী বাড়ীর নুর আহম্মদের ছেলে মোঃ সালেহ আহমেদ (৭০) জেল পুলিশ হিসেবে ২২ বছর চাকরি করেও অদ্যাবধি চাকরিস্থল থেকে কোনো টাকা পয়সা না পেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। তার একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন তারা স্বামী-স্ত্রী দুজনেই অনাহারে অদ্যাহারে জীবন কাটাচ্ছেন। 

গতকাল রবিবার দুপুরে চাটখিল প্রেসক্লাবে এসে সালেহ আহমেদ এর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৫৫) ও মেয়ে সালমা বেগম (২০) তাদের দুঃখ কষ্টের বিবরণ উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন। 

সুরাইয়া বেগম জানান, তার স্বামী ১৯৮১ সালের অক্টোবর মাসের ১৫ তারিখে জেল পুলিশ হিসেবে নিয়োগ পান। সেখানে তিনি ২২ বছর চাকরি করার পর ২০০২ সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারি তারিখে তাকে সিলেট কারাগারে বদলি করা হয়। অসুস্থতাজনিত কারণে তিনি সিলেট কর্মস্থলে যোগদান করতে পারেননি। দীর্ঘ সময় অসুস্থ থেকে তিনি বিগত ২০০৩ সালের ২৫ মার্চ চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের জন্য নোয়াখালী জেল সুপারের কাছে আবেদন করেন। দীর্ঘ ২৩ বছরেও তার আবেদনের কোনো সাড়া মেলেনি। বর্তমানে তিনি এবং তার স্ত্রী সম্পূর্ণ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সালেহ আহমেদ এর স্ত্রী তার স্বামীর প্রাপ্য টাকা পাওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে সাংবাদিকদের মাধ্যমে জোর দাবী জানিয়েছেন। 

এ ব্যাপারে নোয়াখালী জেল সুপার আবদুল বারেকের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, অক্ষমতার কারণে চাকরি থেকে অবসর চাইলে অবসর পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু কেন এ সমস্যা হয়েছে, তিনি এখন তা বলতে পারছেন না। তবে সালেহ আহমেদ এর পরিবারকে কাগজপত্র নিয়ে তার সাথে যোগাযোগ করার জন্য বলেছেন।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

পূর্ব শিখা

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


২২ বছর জেল পুলিশের চাকরি করেও সকল প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত সালেহ আহমেদ, করছেন মানবেতর জীবনযাপন

প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image


নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার দক্ষিণ বদলকোট ইমান উদ্দিন বেপারী বাড়ীর নুর আহম্মদের ছেলে মোঃ সালেহ আহমেদ (৭০) জেল পুলিশ হিসেবে ২২ বছর চাকরি করেও অদ্যাবধি চাকরিস্থল থেকে কোনো টাকা পয়সা না পেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। তার একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন তারা স্বামী-স্ত্রী দুজনেই অনাহারে অদ্যাহারে জীবন কাটাচ্ছেন। 


গতকাল রবিবার দুপুরে চাটখিল প্রেসক্লাবে এসে সালেহ আহমেদ এর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৫৫) ও মেয়ে সালমা বেগম (২০) তাদের দুঃখ কষ্টের বিবরণ উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন। 


সুরাইয়া বেগম জানান, তার স্বামী ১৯৮১ সালের অক্টোবর মাসের ১৫ তারিখে জেল পুলিশ হিসেবে নিয়োগ পান। সেখানে তিনি ২২ বছর চাকরি করার পর ২০০২ সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারি তারিখে তাকে সিলেট কারাগারে বদলি করা হয়। অসুস্থতাজনিত কারণে তিনি সিলেট কর্মস্থলে যোগদান করতে পারেননি। দীর্ঘ সময় অসুস্থ থেকে তিনি বিগত ২০০৩ সালের ২৫ মার্চ চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের জন্য নোয়াখালী জেল সুপারের কাছে আবেদন করেন। দীর্ঘ ২৩ বছরেও তার আবেদনের কোনো সাড়া মেলেনি। বর্তমানে তিনি এবং তার স্ত্রী সম্পূর্ণ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সালেহ আহমেদ এর স্ত্রী তার স্বামীর প্রাপ্য টাকা পাওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে সাংবাদিকদের মাধ্যমে জোর দাবী জানিয়েছেন। 


এ ব্যাপারে নোয়াখালী জেল সুপার আবদুল বারেকের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, অক্ষমতার কারণে চাকরি থেকে অবসর চাইলে অবসর পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু কেন এ সমস্যা হয়েছে, তিনি এখন তা বলতে পারছেন না। তবে সালেহ আহমেদ এর পরিবারকে কাগজপত্র নিয়ে তার সাথে যোগাযোগ করার জন্য বলেছেন।


পূর্ব শিখা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: হাবিবুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ পূর্ব শিখা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
২২ বছর জেল পুলিশের চাকরি করেও সকল প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত সালেহ আহমেদ, করছেন মানবেতর জীবনযাপন
0:00 0:00
1.0x