ঢাকা    বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
পূর্ব শিখা

গাণিতিক ভুল নাকি কারসাজি? চাটখিলে এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ১ লাখ ১০ হাজার টাকা



গাণিতিক ভুল নাকি কারসাজি? চাটখিলে এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ১ লাখ ১০ হাজার টাকা

নোয়াখালীর চাটখিলে সাধারণ এক আবাসিক পরিবারে যেখানে প্রতি মাসে গড়ে বিদ্যুৎ বিল আসে ১ হাজার ৩০০ টাকা, সেখানে হঠাৎ এক মাসের বিল এসেছে ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকা! ভূতুড়ে এই বিল পেয়ে পরিবারটির মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়েছে। উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের হরিকৃষ্ণপুর গ্রামে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে।

ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রের তথ্যমতে, ৮টি এনার্জি বাল্ব, ২টি ফ্যান, ১টি ফ্রিজ ও ১টি আইপিএস নিয়ে তাঁদের দৈনন্দিন সংসার চলে। বিগত ৫ মাসের রেকর্ড অনুযায়ী তাঁদের মাসিক গড় বিদ্যুৎ ব্যবহার ছিল মাত্র ১৮৭ ইউনিট। অথচ সেপ্টেম্বর মাসের বিদ্যুৎ বিলে ভৌতিকভাবে ব্যবহার দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ইউনিট!

অস্বাভাবিক এই বিদ্যুৎ বিল দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী শহীদুল ইসলাম (রনি)। তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, একটি সাধারণ আবাসিক পরিবারে কীভাবে ১ লাখ ১০ হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল আসতে পারে? বিল প্রস্তুতকারীদের চরম অবহেলা ও ভুলের দায় কেন একজন সাধারণ গ্রাহক বহন করবে? তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত সমাধান দাবি করেছেন।

এদিকে, ভূতুড়ে বিলের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তীব্র সমালোচনা ও গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চাটখিল আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) জুনায়েদুর রহমান জানান,“বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত এবং ভুলবশত হয়েছে। দ্রুত ওই গ্রাহকের মিটারটি পুনর্নিরীক্ষা ও পরীক্ষা করে একটি সঠিক সংশোধিত বিল তৈরি করে দেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, পল্লী বিদ্যুতের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মিটাক রিডিং ও খামখেয়ালিপনায় গ্রাহকদের ভোগান্তি দিন দিন বাড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এ ধরনের ভুল রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

পূর্ব শিখা

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬


গাণিতিক ভুল নাকি কারসাজি? চাটখিলে এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ১ লাখ ১০ হাজার টাকা

প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image



নোয়াখালীর চাটখিলে সাধারণ এক আবাসিক পরিবারে যেখানে প্রতি মাসে গড়ে বিদ্যুৎ বিল আসে ১ হাজার ৩০০ টাকা, সেখানে হঠাৎ এক মাসের বিল এসেছে ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকা! ভূতুড়ে এই বিল পেয়ে পরিবারটির মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়েছে। উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের হরিকৃষ্ণপুর গ্রামে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে।


ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রের তথ্যমতে, ৮টি এনার্জি বাল্ব, ২টি ফ্যান, ১টি ফ্রিজ ও ১টি আইপিএস নিয়ে তাঁদের দৈনন্দিন সংসার চলে। বিগত ৫ মাসের রেকর্ড অনুযায়ী তাঁদের মাসিক গড় বিদ্যুৎ ব্যবহার ছিল মাত্র ১৮৭ ইউনিট। অথচ সেপ্টেম্বর মাসের বিদ্যুৎ বিলে ভৌতিকভাবে ব্যবহার দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ইউনিট!


অস্বাভাবিক এই বিদ্যুৎ বিল দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী শহীদুল ইসলাম (রনি)। তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, একটি সাধারণ আবাসিক পরিবারে কীভাবে ১ লাখ ১০ হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল আসতে পারে? বিল প্রস্তুতকারীদের চরম অবহেলা ও ভুলের দায় কেন একজন সাধারণ গ্রাহক বহন করবে? তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত সমাধান দাবি করেছেন।


এদিকে, ভূতুড়ে বিলের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তীব্র সমালোচনা ও গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়।


ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চাটখিল আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) জুনায়েদুর রহমান জানান,“বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত এবং ভুলবশত হয়েছে। দ্রুত ওই গ্রাহকের মিটারটি পুনর্নিরীক্ষা ও পরীক্ষা করে একটি সঠিক সংশোধিত বিল তৈরি করে দেওয়া হবে।”


উল্লেখ্য, পল্লী বিদ্যুতের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মিটাক রিডিং ও খামখেয়ালিপনায় গ্রাহকদের ভোগান্তি দিন দিন বাড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এ ধরনের ভুল রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা।


পূর্ব শিখা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: হাবিবুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ পূর্ব শিখা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
গাণিতিক ভুল নাকি কারসাজি? চাটখিলে এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ১ লাখ ১০ হাজার টাকা
0:00 0:00
1.0x