নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার প্রশাসনের নাকের ডগায় পৌরসভার ব্রীজ দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করেছে প্রভাবশালীরা। এতে প্রশাসন নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। এই বিষয়ে পৌরসভার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নেতৃবৃন্দ চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এদের অনেকে চাটখিল প্রেসক্লাসে এসে বিষয়টি সাংবাদিকদের অবহিত করেন। কয়েকজন সাংবাদিক সরেজমিনে গিয়ে পৌরসভার ব্রীজের উপর দোকান ঘর নির্মাণের সত্যতা পান। পৌরসভা অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে পৌরসভার যানজট নিরসন করার লক্ষে বাইপাস সড়ক করার জন্য পৌরসভার অর্থায়নে ২৫ লাখ টাকা খরচ করে ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়। অজ্ঞাত কারণে কয়েকজন ব্যক্তির স্বার্থ রক্ষার জন্য এ দীর্ঘ সময়েও বাইপাস সড়কটি নির্মাণ হয়নি। পৌর কর্তৃপক্ষ প্রায় ২ মাস আগে ব্রীজটির উত্তর পাশে ১২ ইঞ্চি ইটের গাঁথুনি দিয়ে সাইড ওয়াল নির্মাণ করে রাখে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, ব্রীজের দক্ষিণ পাশে উপজেলা পরিষদের খালি জায়গায় উপজেলা পরিষদের সাথে সমন্বয় করে পৌরসভা অফিস নির্মাণের চিন্তাভাবনা করেছিলেন। এরই মধ্যে প্রভাবশালীরা দিনে রাতে ১০ ইঞ্চি সাইড ওয়ালটি ভেঙ্গে দোকান ঘর নির্মাণ করে ব্রীজটি দখলে নিয়েছে। এই বিষয়ে চাটখিল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, বাইপাস সড়ক না হলেও ব্রীজটি আমাদের একান্ত প্রয়োজন। ব্রীজের দক্ষিণ পাড়ে পৌরসভার পানি সাপ্লাইয়ের রিজার্ভ ট্যাংকি সহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি রয়েছে। দখলদারদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে তিনি পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে যোগাযোগ করতে পরামর্শ দেন। এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, জেলা পরিষদ থেকে কিভাবে এ জায়গা লিজ নিয়েছেন তা আমরা বুঝতে পারিনি। আমরা বিষয়টি নিয়ে জেলা পরিষদের সাথে কথা বলব। জেলা পরিষদ সাধারণত খালপাড় লিজ দিয়ে থাকে। কিন্তু পৌরসভার ব্রীজ লিজ দেওয়া হয়নি তা দখল করল কীভাবে এ প্রশ্ন করার পর তিনি দ্রুত দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান।
চাটখিলে প্রশাসনের নাকের ডগায় পৌরসভার ব্রীজ দখল করে দোকান নির্মাণ, প্রশাসন নিরব নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার প্রশাসনের নাকের ডগায় পৌরসভার ব্রীজ দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করেছে প্রভাবশালীরা। এতে প্রশাসন নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। এই বিষয়ে পৌরসভার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নেতৃবৃন্দ চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এদের অনেকে চাটখিল প্রেসক্লাসে এসে বিষয়টি সাংবাদিকদের অবহিত করেন। কয়েকজন সাংবাদিক সরেজমিনে গিয়ে পৌরসভার ব্রীজের উপর দোকান ঘর নির্মাণের সত্যতা পান। পৌরসভা অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে পৌরসভার যানজট নিরসন করার লক্ষে বাইপাস সড়ক করার জন্য পৌরসভার অর্থায়নে ২৫ লাখ টাকা খরচ করে ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়। অজ্ঞাত কারণে কয়েকজন ব্যক্তির স্বার্থ রক্ষার জন্য এ দীর্ঘ সময়েও বাইপাস সড়কটি নির্মাণ হয়নি। পৌর কর্তৃপক্ষ প্রায় ২ মাস আগে ব্রীজটির উত্তর পাশে ১২ ইঞ্চি ইটের গাঁথুনি দিয়ে সাইড ওয়াল নির্মাণ করে রাখে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, ব্রীজের দক্ষিণ পাশে উপজেলা পরিষদের খালি জায়গায় উপজেলা পরিষদের সাথে সমন্বয় করে পৌরসভা অফিস নির্মাণের চিন্তাভাবনা করেছিলেন। এরই মধ্যে প্রভাবশালীরা দিনে রাতে ১০ ইঞ্চি সাইড ওয়ালটি ভেঙ্গে দোকান ঘর নির্মাণ করে ব্রীজটি দখলে নিয়েছে। এই বিষয়ে চাটখিল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, বাইপাস সড়ক না হলেও ব্রীজটি আমাদের একান্ত প্রয়োজন। ব্রীজের দক্ষিণ পাড়ে পৌরসভার পানি সাপ্লাইয়ের রিজার্ভ ট্যাংকি সহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি রয়েছে। দখলদারদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে তিনি পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে যোগাযোগ করতে পরামর্শ দেন। এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, জেলা পরিষদ থেকে কিভাবে এ জায়গা লিজ নিয়েছেন তা আমরা বুঝতে পারিনি। আমরা বিষয়টি নিয়ে জেলা পরিষদের সাথে কথা বলব। জেলা পরিষদ সাধারণত খালপাড় লিজ দিয়ে থাকে। কিন্তু পৌরসভার ব্রীজ লিজ দেওয়া হয়নি তা দখল করল কীভাবে এ প্রশ্ন করার পর তিনি দ্রুত দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান।
বাংলাদেশ ক্যামিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির চাটখিল শাখার আয়োজনে আজ সোমবার দুপুরে স্কাই ভিউ চাইনিজ রেস্টুরেন্টের হল রুমে নকল ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ প্রতিরোধ এবং অ্যান্টিবায়োটি যৌক্তিক ব্যবহার বিষয়ক জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। চাটখিল শাখার কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির সভাপতি ফজলুর রব বাবুল এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন রিপনের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী ঔষধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক সালমা সিদ্দিকা। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন রতন, উপজেলা সেনেটারি ইন্সপেক্টর নুরুল ইসলাম। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন - ফারিয়া কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নজির আহমেদ হারুন, চাটখিল ফারিয়ার সভাপতি মিজানুর রহমান, ড্রাগিষ্ট সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম, ব্যবসায়ী আরিফুর রহমান, সাদেক আহমেদ ও মো: রবিন প্রমূখ। সভার সভাপতি সায়মা সিদ্দিকা - ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন নকল ভেজাল ও মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ দোকানে না রাখার জন্য পরমর্শ দেন। সভায় বিভিন্ন ঔষধ ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।